খেজুরের বরফি 1 কেজি
খেজুরের বরফি 1 কেজি Original price was: 1,500.00৳ .Current price is: 1,200.00৳ .
Back to products

Ghee (ঘি)

Price range: 400.00৳  through 1,400.00৳ 

Details:

ঘি অর্ডার করার আগে এর রঙ, দানা ও ঘ্রাণ সম্পর্কে আমাদের কিছু কথা

  • উৎস: সাতক্ষীরার গ্রাম থেকে সংগৃহীত দুধের ক্রিম দিয়ে তৈরি।

  • যাচাই: ডিজিটাল মেশিনে ক্রিমের ফ্যাট ও মান পরীক্ষা করা হয়।

  • প্রস্তুতপ্রণালী: অভিজ্ঞ কারিগর দ্বারা কড়াইতে হাতে জ্বালানো।

  • রঙ: হাতে জ্বালানো বলে ব্যাচভেদে রঙ হালকা বা কড়া হতে পারে।

  • দানা: আবহাওয়া ও তাপমাত্রার ওপর ভিত্তি করে ঘি তরল বা দানাদার হতে পারে।

  • ঘ্রাণ: বোতল খোলার পর বাতাসের সংস্পর্শে আসলে ১-২ মাসের মধ্যে  ঘ্রাণ কিছুটা কমে আসতে পারে।

প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি ঘি-তে এমন ভিন্নতা থাকাটাই স্বাভাবিক। আমরা নিজেরা উৎপাদন করি আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন ইনশাআল্লাহ।

Weight N/A
Quantity

1 Kg

,

500 gm

,

250 gm

Description

ঘি-এর রঙ, ঘ্রাণ বা দানা কি সবসময় এক থাকে? আমাদের প্রসেস ও বাস্তবতা জানুন

ঘি নিয়ে মানুষের অনেক প্রশ্ন থাকে। কেন একেক সময় রঙ একেক রকম হয়? কেন ঘ্রাণ কমে যায়? আমাদের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার আলোকে ইনসাফ শপ বিডি-র ঘি তৈরির প্রক্রিয়া এবং এর স্বাভাবিক কিছু সীমাবদ্ধতা এখানে তুলে ধরা হলো।

১. দুধের উৎস: মাঠ নাকি ফার্ম? (বাস্তব চিত্র)

১. মাঠে চড়ানো দেশি গরু:
এরা সারাদিন মাঠে মাঠে ঘুরে নিজেরাই নিজেদের খাবার সংগ্রহ করে। গ্রামের মাঠে-ঘাটে চরে বেড়ায়, রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সারাদিন হাঁটাচলার ওপর থাকে এজন্য এদের প্রচুর কায়িক পরিশ্রম বা শারীরিক অ্যাক্টিভিটি হয়।

২. ফার্মিং বা খামারের গরু:
এরা সাধারণত গোয়াল বা সেডেই থাকে, মাঠে যায় না। এদের খাবার কেটে এনে সামনে দেওয়া হয়, তাই এরা অনেকটা শুয়ে-বসেই থাকে। সাধারণত, এদের শারীরিক পরিশ্রম অনেক কম হয়

আমাদের সোর্সিংয়ের বাস্তবতা:
আমরা সাতক্ষীরা জেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে দুধের ক্রিম সংগ্রহ করি। যখন বিভিন্ন গৃহস্থ বা খামারির কাছ থেকে ক্রিম আসে, তখন এটা আলাদা করা প্রায় অসম্ভব যে—কোনটুকু মাঠের গরুর আর কোনটুকু ফার্মের গরুর।
যেহেতু প্রসেসিংয়ের সময় সব ক্রিম একসাথে মিক্স হয়ে যায়, তাই আমরা সততার খাতিরে কখনোই বলি না যে এটা “১০০% মাঠে চড়ানো গরুর ঘি”। আমরা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে ব্যবসা করি না।

২. ক্রিম টেস্টিং ও আমাদের সীমাবদ্ধতা

ক্রিম সংগ্রহের পর আমরা আমাদের ডিজিটাল মেশিনে এর ফ্যাট পার্সেন্টেজ চেক করি।

  • মেশিন আমাদের বলে দেয় ক্রিমে কোনো ভেজিটেবল ফ্যাট বা ডালডা মেশানো আছে কিনা।
  • তবে গরুর পেটে কী গেছে বা দুধে কোনো সমস্যা ছিল কিনা—সেটা মেশিন ধরতে পারে না।
  • আমাদের চেষ্টা থাকে সেরা ক্রিমটা বাছাই করার, কিন্তু ক্রিমের ভেতরে যদি কোনো প্রাকৃতিক ত্রুটি থাকে, সেটা আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।

৩. রঙ ও দানার পরিবর্তন (হাতের কাজ ও আবহাওয়া)

মেশিনে পাস করা ক্রিম আমাদের নিজস্ব কারখানায় দক্ষ কারিগররা দীর্ঘ সময় ধরে জ্বাল দেন।

  • কালারের ভিন্নতা (মিষ্টি বনাম কড়া জ্বাল): আমরা সাধারণত “মিষ্টি জ্বাল” বা হালকা সোনালী রঙ রাখার চেষ্টা করি, কারণ এটাই বেশিরভাগ মানুষের পছন্দ। তবে আগুনের তাপ তো আর মেপে দেওয়া যায় না; তাই কোনো কোনো ব্যাচে তাপ একটু বেশি লেগে গেলে রঙটা সামান্য কড়া বা লালচে হতে পারে। এটা হাতের কাজেরই একটা অংশ।
  • দানা বা লিকুইড হওয়া: ঘি জমে দানা হবে নাকি লিকুইড থাকবে—এটা সম্পূর্ণ তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে। আমাদের এখান থেকে দানাদার ঘি পাঠালেও, কুরিয়ারের গাড়ির গরমে বা ঝাঁকুনিতে সেটা গলে লিকুইড বা ক্রিমি হয়ে যেতে পারে। এটা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। বোতলটি হাতে পাওয়ার পর ফ্রিজে বা ঠান্ডা জায়গায় রাখলে আবার সুন্দর দানা ফিরে আসবে।

৪. ঘ্রাণ ও সময়ের প্রভাব

আমরা ঘি-তে কোনো কৃত্তিম সেন্ট বা এসেন্স ব্যবহার করি না।

  • বোতল খোলার পর বাতাসের সংস্পর্শে আসলে ১-২ মাসের মধ্যে  ঘ্রাণ কিছুটা কমে আসতে পারে।
  • ঘি পুরনো হলে রঙ সাদাটে হয়ে যাওয়া এবং ঘ্রাণ কমে যাওয়াটাই কেমিক্যাল মুক্ত ঘি-এর বৈশিষ্ট্য।

শেষ কথা

আমরা গ্যারান্টি শব্দটা ব্যবহার করি না, কারণ খাবারের বিষয়ে ১০০% গ্যারান্টি দেওয়া কঠিন। তবে এটুকু বলতে পারি—ক্রিম হাতে পাওয়ার পর থেকে বয়ামজাত করা পর্যন্ত আমরা কোনো ভেজাল বা কেমিক্যাল মেশাই না। আমরা সাতক্ষীরার আসল স্বাদটা সততার সাথে আপনার টেবিলে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করি মাত্র।